1. admin@dailysattyasangbad.com : admin :
চাকরি স্থায়ীকরণে বাধা, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি - দৈনিক সত্য সংবাদ ।। Daily Sattyasangbad
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
চাকরি স্থায়ীকরণে বাধা, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বরিশাল পুলিশ সুপারের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের জেলা নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিউইয়র্কে বেতনসহ মাসিককালীন ছুটি নিয়ে বৈশ্বিক সম্মেলন, সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফারহান আরিয়ান ল’ ফার্মকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মহিউদ্দিন খান মঈনকে বিশেষ সম্মাননা নিউইয়র্কে চ্যানেল আইয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন, সম্মাননা পেলেন বিশিষ্টজনেরা বরিশালে ১০ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে এবি পার্টির স্মারকলিপি বরিশালে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল সমাবেশ কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিএনপি নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিন শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষ, বরিশাল জেলা ও মহানগর

চাকরি স্থায়ীকরণে বাধা, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক।। 

একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি স্থায়ীকরণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতির অভিযোগ উঠেছে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে। ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের ২৪ জন কর্মচারীর চাকরি বোর্ড সভার অনুমোদনে স্থায়ী করা হলেও দেশের ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে কর্মরত ৭৪৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরির ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত।

দীর্ঘ ১২ থেকে ১৫ বছর ধরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও থেরাপিসেবা দিয়ে আসা এসব কর্মীর চাকরি স্থায়ীকরণ, বেতন-ভাতা, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছে। এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সেবা কেন্দ্র সম্মিলিত চাকরি স্থায়ীকরণ কমিটির অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে কর্মরত ৭৪৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের প্রক্রিয়ায় বারবার বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, প্রধান কার্যালয়ের ২৪ জনের ক্ষেত্রে অর্গানোগ্রাম ও পদ সৃজন ছাড়াই বোর্ডের অনুমোদনে চাকরি স্থায়ীকরণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ক্ষেত্রে পদ সৃজনের শর্ত আরোপ করা হলো কেন?

একই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের এই ভিন্নতার আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকালের ৯৫তম বোর্ড সভায় ৭৪৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না এলে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালের ১৬ নভেম্বর। প্রতিষ্ঠানটির অধীন দেশের ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে প্রায় ৭৪৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এসব কর্মী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও থেরাপিসেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেও চাকরি স্থায়ীকরণ ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তাঁদের অনিশ্চয়তা কাটেনি।

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইন, ২০২৩ প্রণয়নের পর ২০২৫ সালের ২৪ মে অনুষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের ৯৩তম বোর্ড সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের সুপারিশ করা হয় বলে জানা গেছে।

২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের ৯৪তম বোর্ড সভায় প্রধান কার্যালয়ের ২৪ জন কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে, মাঠপর্যায়ে কর্মরত ৭৪৫ জনের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদ সৃজনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের।

এ নিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, একই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে হবে এবং দীর্ঘদিনের চাকরির অভিজ্ঞতা ও সেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেছেন, “আমি সচিব মহোদয়কে নির্দেশ প্রদান করেছি ৭৪৫ জন জনবলের চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়ে।”

মন্ত্রীর এই নির্দেশনা ও সচিবের আশ্বাসের পর আগামীকালের ৯৫তম বোর্ড সভায় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন কর্মচারীরা।

৯৫তম বোর্ড সভায় কর্মচারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—

১. ১০৩টি কেন্দ্রে কর্মরত ৭৪৫ জনের চাকরি স্থায়ীকরণে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ। ২. প্রাপ্য বেতন-ভাতা, ছুটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়ন। ৩. প্রয়োজনীয় পদ সৃজন ও সাংগঠনিক কাঠামো দ্রুত সম্পন্ন করা। ৪. প্রধান কার্যালয়ের ২৪ জন ও মাঠপর্যায়ের ৭৪৫ জনের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি স্বচ্ছ করা। ৫. কর্মীদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও অধিকার নিশ্চিত করা। ৬. সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সময়সীমা নির্ধারণ।

দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে ৯৫তম বোর্ড সভায় ন্যায়সংগত ও বিধিসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অন্যথায় ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews