বিজ্ঞপ্তি।।
সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকাতে প্রকাশিত “ভুয়া কাগজ দেখিয়ে পুরোনো স্কুল ভবনের স্থাপনা বিক্রি” শীর্ষক সংবাদের একটি অংশে আমার নাম জড়িয়ে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত ওই সংবাদের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমি মাহবুব হোসেন, সহকারী শিক্ষক, কানাইগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মেহেন্দীগঞ্জ, বরিশাল। দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছি। সংবাদে আমাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি সালাউদ্দিন পিপলু জমাদ্দারের অনুসারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।
মূলত একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অনিয়ম ও অপকর্ম আড়াল করতে এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে। এছাড়া চলমান বিভিন্ন তদন্ত কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে আমি মনে করি।
আমি আরও স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সালাউদ্দিন পিপলু জমাদ্দার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁকে জড়িয়ে আমার নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টারও তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, কোনো অপপ্রচার বা একপাক্ষিক তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
প্রতিবাদকারী
মাহবুব হোসেন।
সহকারী শিক্ষক, কানাইগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মেহেন্দীগঞ্জ, বরিশাল।
সম্পাদক : মোঃ রাকিবুল হাছান(ফয়সাল রাকিব)
আর এম মিডিয়া লিঃ