আলী আসরাফ,আগৈলঝাড়া বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা বাগধা ইউনিয়নের চক্রিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা বিলাস মুখার্জি (পিতাঃপংকজ মুখার্জি) সাতলা স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা শিক্ষক। দীর্ঘ ছয় বছর আগে ডাসার থানার পশ্চিম দরশনা গ্রামের আশুতোষ চক্রবর্তীর একমাত্র কন্যা শিমা চক্রবর্তী। দুই ভাইয়ের একমাত্র শিক্ষিতা,সুন্দরী, চঞ্চলা,আদরের বোন ধুমধাম করে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।খুব সুন্দর ভাবে সংসার চলছিলো।আশুতোষ চক্রবর্তীর একমাত্র কন্যার। জামাই বিলাসের ঘর সাজিয়ে দেয় শশুর। খাট,আলমারি, শুকেচ,ওয়ারড্রব, মোটরসাইকেল স্বর্ণালংকার সহ বিভিন্ন সামগ্রী। ১৫/১৬ লক্ষ টাকা খরচ করে বিবাহ দেয়।সংসার আলো করে আসে দুই পুত্র সন্তান। বড় ছেলেটা প্রতিবন্ধী হওয়ায়।সেটা নিয়ে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হটাৎ করে দুই বছর থেকে সংসারে বিভিন্ন ঝামেলা লেগেই থাকে।বিলাস মুখার্জি তার বাবা,মার কথা শুনে বউয়ের উপর অত্যাচার করে।বিভিন্ন সময়ে বিনা কারনে গায়ে হাত তুলে স্বামী,শশুর,শাশুড়ী। বিলাস মুখার্জি কলেজ শিক্ষক হলে ও তার কোন মানবতা নেই। সন্তানদের প্রতি তার অবহেলা।শিমা চক্রবর্তী তার স্বামীর সংসার ছেড়ে কোথায় যেতে রাজি নয়।শশুর শাশুড়ী তার ছেলের থেকে দুরে রাখে পুত্র বধুকে।বিলাস মুখার্জি সাতলা কলেজ থেকে তার বাড়ির দুরত্ত দশ কিলোমিটার। কিন্তু বাড়িতে আসে সাত আট মাস পর পর।একজন শিক্ষক তার দুই সন্তান রেখে কিভাবে দুরে থাকে।সন্তানেরা তার বাবার আদর সোহাগ থেকে বঞ্চিত। পহেলা বৈশাখের দিনে বাড়িতে আসে।আসার পর থেকে এপর্যন্ত প্রতিদিনই মারধর, ঝগড়া লেগেই ছিলো।কিন্তু আজ সকালে, শিমা চক্রবর্তী তার স্বামী বিলাস মুখার্জি কে বলে আমার ছেলের দিকে তুমি কোন খেয়াল রাখো না। তোমার কোন দায়িত্ব নাই। এনিয়ে কথার কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে বিলাস তার স্ত্রী কে মেরে মাটিতে ফেলে রাখে।এবং পেটে লাফি দিলে সিজারের জায়গায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করছে।সে হাটাচলা নড়াচড়া করতে পারছে না।শিমা চক্রবর্তীর বাবা তার মেয়েকে মার ধরের কথা শুনে মেয়েকে দেখতে ছুটে আসে এবং প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করে।স্থানীয়দের সাথে কথা বললে যানা যায় বিলাস মুখার্জি তার স্ত্রী কে মেরেছে এবং প্রায়ই বাড়িতে কলহ সৃষ্টি হয়। শিমা চক্রবর্তী শশুর,শাশুড়ী সবাই নির্যাতন করে। বাড়ির সবাই এর থেকে পরিত্রাণ চায়।সবাই বাজে বাজে ভাষা ব্যবহার করে শিমা চক্রবর্তী কে। বাড়ির থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।শিমা চক্রবর্তী কান্না করে গণমাধ্যম কে জানায় আমার প্রতিবন্ধী ছেলেকে বাবার বাড়ি রেখেছি। ছোট ছেলেটি আমার সাথে রেখেছি।দুই ছেলের কোন ছেলের যত্ন হচ্ছে না।গতকাল থেকে আমি ও আমার ছোট সন্তান না খেয়ে আছি।আপনারা আমার সন্তানকে খাবারের ব্যবস্থা করেন।আমি আর সহ্য করতে পারছি না।কার কাছে গেলে আমি এর সুষ্ঠু বিচার পাবো।
সম্পাদক : মোঃ রাকিবুল হাছান(ফয়সাল রাকিব)
আর এম মিডিয়া লিঃ